প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

বিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

আজকের শিশু আগামী দিনের রাষ্ট্র-কর্ণধার। সমাজ গঠনে তার দায়িত্ব অপরিসীম। দেশ ও জাতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রচনা করাই তার কর্তব্য। সুতরাং দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকদের সর্বোত্তম জ্ঞানের অধিকারী করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন আদর্শ শিক্ষার। সমাজে সর্বত্রই শিক্ষার সুযোগ আছে। তবুও আনুষ্ঠানিক শিক্ষার বাহন হিসেবে গড়ে উঠেছে বিদ্যালয়, যার মহান দায়িত্ব হচ্ছে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও দক্ষতার মাধ্যমে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। দেশের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে এ উদ্দেশ্য সফল বাস্তবায়নের জন্য আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় নিম্নোক্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সংকল্পবদ্ধ।

১.    ছাত্র/ছাত্রীদের বিষয় ভিত্তিক জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন ও উত্তম চরিত্র গঠনের মাধ্যমে মানসিক গুণাবলীর পরিপূর্ণ বিকাশ সাধন করা।
২.    আধুনিক ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় সাধন এবং শিক্ষার্থীদের মনে নৈতিক ও ধর্মীয় চেতনাবোধ সৃষ্টি করা।
৩.    টেক্সট বুক বোর্ড ও শিক্ষা বোর্ড প্রণীত নির্ধারিত পাঠ্যসূচি ও সিলেবাস অনুসারে বিদ্যালয় কর্তৃক ভারসাম্যপূর্ণ সিলেবাস প্রণয়ন, মানবণ্টন, উত্তরপত্র সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষণ-নিরীক্ষণ ও মূল্যায়ন নিশ্চিত করনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় ও ব্যবহারিক জ্ঞান প্রদান করে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা।
৪.    প্রত্যেক সেমিস্টার ও টিউটোরিয়াল পরীক্ষার গড় ফলাফল মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।
৫.    সকল বিষয়ে সমান গুরুত্ব দানের লক্ষ্যে প্রত্যেক বিষয় ও পত্রে পৃথক পৃথক পাশ নিশ্চিত করা।
৬.    ছাত্র/ছাত্রীদের নকল প্রবণতা দূরীকরণ ও প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেমিস্টার পদ্ধতি চালু করা।
৭.    ২০১৮ সাল থেকে অদ্যাবধি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণি কার্যক্রম চালু রয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষক ডিজিটাল কনট্যান্ট তৈরিতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত।
৮.    শিক্ষক/শিক্ষিকাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পরস্পরের মধ্যে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের উন্নতিকল্পে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়মিত আলোচনা ও কর্মশালার ব্যবস্থা করা।
৯.    শিক্ষক/শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়ন করা।
১০.    পাঠ্য পুস্তকের গণ্ডির বাইরে অতিরিক্ত জ্ঞান চর্চায় ছাত্র/ছাত্রীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে পাঠাগারের উন্নয়ন করা হয়েছে। 
১১.    বিদ্যালয় অঙ্গনে ও প্রাঙ্গণে খেলাধুলার ব্যবস্থা এবং সংস্কৃতি কর্মকাণ্ডে ছাত্র/ছাত্রীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, বিদ্যালয় বার্ষিকী ও দেয়াল পত্রিকা প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ।
১২.    বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ডায়েরির ব্যবস্থা রয়েছে। ডায়েরি এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অভিভাবকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের ব্যবস্থা রয়েছে।
১৩.    শিক্ষার্থীদের চিন্তা শক্তি, যুক্তিবোধ ও সৃজনশীলতা বাড়িয়ে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করা। 
১৪.    দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংঙ্কৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং অন্য সংস্কৃতিকে সম্মান করা।  

উপরিউক্ত কর্মসূচি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, অত্র বিদ্যালয় দেশ, জাতি ও সমাজ গড়ার উদ্দেশ্যে এক মহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে সদা প্রয়াস চালিয়ে আসছে। মানুষ গড়ার এ কারখানায় সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় ২০০৭ইং সন হতে ২০২৬ ইং পর্যন্ত এস.এসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান, মননশীলতা, নৈপুণ্য, মূল্যবোধ, নৈতিক প্রবৃত্তি ও দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী করে তুলতে সহায়তা দানে আমরা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

মো: নুরে আলম 
প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) 
আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়